আপনি যত বেশি খেলবেন, cric ex তত বেশি পুরস্কার দেবে। ভিআইপি হওয়া মানে শুধু বোনাস নয় — এটা একটা আলাদা অভিজ্ঞতা।
Cric ex-এ চারটি ভিআইপি স্তর আছে। আপনার মাসিক বেটের উপর ভিত্তি করে স্তর নির্ধারণ হয় এবং প্রতিটি স্তরে আলাদা সুবিধা পাবেন।
নিবন্ধন থেকে শুরু করে ডায়মন্ড পর্যন্ত — প্রতিটি ধাপে নতুন পুরস্কার অপেক্ষা করছে।
কোন স্তরে কী সুবিধা পাবেন — এক নজরে দেখুন।
| সুবিধা | Silver | Gold | Platinum | Diamond |
|---|---|---|---|---|
| সাপ্তাহিক ক্যাশব্যাক | ৫% | ১০% | ১৫% | ২৫% |
| মাসিক বোনাস | ৳৫০০ | ৳২,০০০ | ৳১০,০০০ | ৳৫০,০০০ |
| উইথড্রয়াল সময় | ৪৮ ঘণ্টা | ২৪ ঘণ্টা | ১২ ঘণ্টা | ১৫ মিনিট |
| ডেডিকেটেড ম্যানেজার | ||||
| বার্থডে বোনাস | ৳১,০০০ | ৳৩,০০০ | ৳১০,০০০ | |
| এক্সক্লুসিভ টুর্নামেন্ট | ||||
| উচ্চতর বেট লিমিট | ||||
| বিশেষ উপহার ও ট্রিপ | ||||
| ২৪/৭ সাপোর্ট | ||||
| পয়েন্ট রিডেম্পশন রেট | ১x | ১.৫x | ২x | ৩x |
ভিআইপি হওয়া মানেই জটিল প্রক্রিয়া নয়। cric ex-এ ভিআইপি প্রোগ্রামটা সম্পূর্ণ স্বয়ংক্রিয় — আপনি শুধু খেলুন, বাকি সব প্ল্যাটফর্ম সামলে নেবে।
Cric ex-এর ভিআইপি সদস্যদের বাস্তব অভিজ্ঞতা।
বাংলাদেশে অনলাইন বেটিং করেন এমন অনেকেই একটা কথা বলেন — "প্ল্যাটফর্ম বদলাই কেন? একটায় থাকলে কী লাভ?" এই প্রশ্নের উত্তরটা cric ex-এর ভিআইপি প্রোগ্রাম দেয়। আপনি যত বেশি একটাই প্ল্যাটফর্মে খেলবেন, তত বেশি পুরস্কার পাবেন — এটাই ভিআইপির মূল ধারণা।
সিলভার স্তরটা একেবারে নতুনদের জন্য নয়, তবে খুব বেশি কঠিনও না। মাসে মাত্র ৳১০,০০০ বেট করলেই সিলভার হওয়া যায়। অনেকেই হয়তো জানেন না যে ত াঁরা আসলে সিলভার যোগ্যতা পূরণ করছেন প্রতি মাসেই। ক্রিকেট ম্যাচে নিয়মিত বেট করলে এই পরিমাণ সহজেই হয়ে যায়।
গোল্ড স্তরে যাওয়ার পর পার্থক্যটা আরও স্পষ্ট হয়। ডেডিকেটেড অ্যাকাউন্ট ম্যানেজার পাওয়া মানে হলো যেকোনো সমস্যায় আপনার জন্য একজন নির্দিষ্ট মানুষ আছেন। সাধারণ লাইভ চ্যাটের মতো সবার সাথে লাইনে দাঁড়াতে হয় না। cric ex-এর গোল্ড সদস্যরা এই সুবিধাটা সবচেয়ে বেশি উপভোগ করেন বলে জানা যায়।
প্লাটিনামে এক্সক্লুসিভ টুর্নামেন্ট একটা বড় আকর্ষণ। এই টুর্নামেন্টগুলোতে প্রবেশ করতে পারেন শুধু প্লাটিনাম ও তার উপরের সদস্যরা। ফলে প্রতিযোগিতা কম, কিন্তু পুরস্কারের পরিমাণ কমে না। যারা ক্রিকেট বেটিংয়ে বেশি সময় দেন তাদের জন্য এই টুর্নামেন্টগুলো বিশেষভাবে লাভজনক।
ডায়মন্ড স্তরের কথা আলাদা করে বলা দরকার। ১৫ মিনিটে উইথড্রয়াল — এই কথাটা শুনলে অনেকে সন্দেহ করেন। কিন্তু cric ex-এর ডায়মন্ড সদস্যরা এটা নিয়মিত অভিজ্ঞতা করেন। বড় পরিমাণের টাকা দ্রুত তুলতে পারাটা অনেক সময় খুব গুরুত্বপূর্ণ হয়ে পড়ে। ২৫% ক্যাশব্যাকও ডায়মন্ডের একটা বড় সুবিধা — মানে হারলেও প্রতি চার টাকায় এক টাকা ফেরত আসে।
ভিআইপি পয়েন্ট সিস্টেমটাও সহজ। প্রতি ৳১০০ বেটে ১ পয়েন্ট জমে। স্পোর্টস বেটিং, লাইভ ক্যাসিনো, স্লট, ফিশিং — সব জায়গায় পয়েন্ট পাওয়া যায়। জমানো পয়েন্ট দিয়ে সরাসরি বোনাস রিডিম করা যায়। ডায়মন্ড সদস্যরা ৩x রেটে পয়েন্ট রিডিম করতে পারেন, তাই একই পয়েন্টে তিনগুণ বোনাস পান।
একটা বিষয় পরিষ্কার করা দরকার — cric ex-এর ভিআইপি স্তর প্রতি মাসে নতুন করে হিসাব হয়। মানে গত মাসে প্লাটিনাম থাকলেই এ মাসেও প্লাটিনাম থাকবেন — এটা নিশ্চিত নয়। প্রতি মাসে নির্ধারিত পরিমাণ বেট ধরে রাখতে হবে। এটাকে কেউ কেউ অসুবিধা মনে করলেও এই নিয়মের কারণেই সিস্টেমটা ন্যায্য থাকে।
সব মিলিয়ে, যারা নিয়মিত বেটিং করেন তাদের জন্য cric ex-এর ভিআইপি প্রোগ্রাম সত্যিকার অর্থেই লাভজনক। শুধু একটা প্ল্যাটফর্মে মনোযোগ দিয়ে খেললে পুরস্কার, দ্রুত পেমেন্ট আর বিশেষ সাপোর্ট — সবটাই একসাথে পাওয়া যায়।
Cric ex-এ নিবন্ধন করুন এবং প্রথম দিন থেকেই ভিআইপি পয়েন্ট জমানো শুরু করুন। Silver থেকে Diamond — প্রতিটি ধাপে নতুন সুবিধা অপেক্ষা করছে।